| | | |
সংবাদ শিরোনামঃ
মুুক্তিযোদ্ধার জানাযা ও দাফনে বাধা প্রদানের প্রতিবাদে ভেড়ামারায় মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ তাড়াশে হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে জনগণকে সম্পৃক্ত করে কমিউনিটি সভা অনুষ্ঠিত মিরপুরে মাটি পরীক্ষায় ডিজিটাল সেন্সর ব্যবহারে প্রশিক্ষণ ও ডিভাইস বিতরণ ভেড়ামারায় বিয়ে করতে এসে জরিমানা গুনতে হলো বর কে ভেড়ামারায় আলহেরা মডেল একাডেমী স্কুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও মা সমাবেশ ভেড়ামারার পদ্মায় পানির তোড়ে ভেসে গেলো কৃষক ভেড়ামারায় গনধর্ষন/ ৪ দিন মৃত্যুর সাথে লড়ে হেরে গেলো তরুনী ভেড়ামারা থানা পুলিশের অভিযানে ৪০ পিচ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ ২জন আসামি গ্রেফতার। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর সঙ্গে ঢাকাস্থ ভেড়ামারা সমিতির নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে বাবা-মা, দাদু আর একমাত্র ভাই সবাইকে হারিয়ে মহিমার চোখে কেবলই অন্ধকার/ আগুনে ছাই হয়ে গেল মহিমার সব স্বপ্ন
ট্রাক মার্কায় ভোট দিয়ে শেখ হাসিনার হাত কে শক্তিশালী করুন …..আবু হেনা মোস্তফা কামাল মুকুল

ট্রাক মার্কায় ভোট দিয়ে শেখ হাসিনার হাত কে শক্তিশালী করুন …..আবু হেনা মোস্তফা কামাল মুকুল

সরোয়ার হোসেন :
কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান, ভেড়ামারা পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি, বিশিষ্ট রাজনৈতিক আবু হেনা মোস্তফা কামাল মুকুল বলেছেন, রাজনৈতিক কারনে কুষ্টিয়া-২ আসন অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ন। কিন্তু এ আসনে আওয়ামীলীগের প্রতিনিধি নেই। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুযোগ হয়েছে আওয়ামীলীগের প্রতিনিধি নির্বাচিত করার। আগামী ৭ জানুয়ারী সারাদিন আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী কামারুল আরেফিন’র ট্রাক মার্কায় ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার মাধ্যমে শেখ হাসিনার হাত কে শক্তিশালী করতে হবে। তবেই অবসান ঘটবে এতদাঞ্চলের জুলুম নির্যাতনের। চরম প্রতিশোধ নেওয়া হবে আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের হত্যার। আবু হেনা মোস্তফা কামাল মুকুল সোমবার কুষ্টিয়ার বহুল প্রচারিত সাপ্তাহিক কুষ্টিয়ার মুখ পত্রিকার একান্ত এক সাক্ষাতকারে উপরোক্ত কথা গুলো বলেন। তিনি আরো বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমরা প্রার্থী হতে পারিনা। প্রধানমন্ত্রীর দোয়া এবং দয়ায় এ নির্বাচনে আমাদের প্রার্থী দিতে পেরেছি। কামারুল আরেফিন আমাদের যোগ্য প্রার্থী। এ নির্বাচনে তার বিজয় নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, আওয়ামীলীগের কতিপয় নেতা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে নৌকা আওয়ামীলীগের। নৌকা যেখানে আমরা সেখানে ভোট দেবো। কিন্তু আমি বলি, নৌকা আমাদের হলেও এ আসনে নৌকার মাঝি জাসদের। এখন মাঝি পরিবর্তনের সময় এসেছে। যত ভালো নৌকায় দেন না কেন, মাঝি ছাড়া নৌকা চলবে না। আমরা গত ১৫ বছর এই মাঝির দ্বারা নির্যাতিত, নিস্পেষিত। এই মাঝি ভোট নেয় আর চলে যায়। যাওয়ার সময় বলে যাই স্বপন কে রেখে গেলাম। আর আমাদের নতুন মাঝি কামারুল আরেফিন নির্বাচিত হওয়ার পর বলবে, ছানা কে রেখে গেলাম, মুকুল কে রেখে গেলাম, ফারুক কাউন্সিলর কে রেখে গেলাম। উনারা নৌকায় ভোট দেন একবার। উনাদের প্রয়োজনে। আর আমরা নৌকায় ভোট দিই ৪ বার। ইউনিয়ন পরিষদে, পৌরসভায়, উপজেলায় এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। এখন সময় এসেছে আমাদের অধিকার বুঝে নেওয়ার। এজন্যই আমাদের প্রার্থী কামারুল আরেফিন’র ট্রাক মার্কায় ভোট দিয়ে বিজয়ী করতে হবে।

আপনার সামাজিক মিডিয়ায় এই পোস্ট শেয়ার করুন

Advertisement

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। © সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত 2024